একাদশ শ্রেণী বাংলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
একাদশ শ্রেণী বাংলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১

সুয়েজ খালে : হাঙ্গর শিকার প্রবন্ধ অবলম্বনে হাঙ্গর শিকারের বর্ণনা দাও ।

 

সুয়েজ খালে : হাঙ্গর শিকার প্রবন্ধ অবলম্বনে হাঙ্গর শিকারের বর্ণনা দাও ।

 

 

প্রশ্ন :- সুয়েজ খালে : হাঙ্গর শিকার প্রবন্ধ অবলম্বনে হাঙ্গর শিকারের বর্ণনা দাও ।


উত্তর: সুয়েজ খালে : হাঙ্গর শিকার প্রবন্ধে স্বামী বিবেকানন্দ হাঙ্গর শিকারের আনুপূর্বিক বিবরণ উপস্থাপিত করেছেন । জাহাজের এক ফৌজি যাত্রীর কুয়োর ঘটি তোলার ঠাকুরদাদা রূপ প্রকান্ড বরশী জোগাড় করলে ফাতনা হিসাবে করিকাঠ ব্যাবহার করে বিলেতি শুয়োর মাংস গেঁথে আরব মিঙার সাহায্যে জলে ফেলা হয় । দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জাহাজ থেকে প্রায় দুশো হাত দূরে ভিস্তির মশকের মতো প্রথম হাঙ্গর বাঘা ভেসে ওঠে । হাঙ্গর টোপ  সহ বড়শী উদর্স্থ করার আগেই কাছিতে টান পড়ে । টপসহ বড়শী টি ঝেড়ে ফেলে দিতে চাইলে উল্টো উৎপর্তি ঘটে । বড়শী বিঁধে যায় তার মুখে ।  দীর্ঘ ক্ষণ হাঙ্গর আর মানুষের কাছি টানাটানিতে ক্লান্ত হাঙ্গরের শরীর চেষ্টা ছেড়ে দেয় এবং জলের ওপর ভেসে ওঠে । আরব পুলিশ মাঝি হাঙ্গরের লেজে দড়ির বেঁধে দেয় । তারপর হাঙ্গর কে টেনে জাহাজে তোলা হয় , অবশ্য জলে তখন হাঙ্গরের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে বেরিয়ে যায় । জামাকাপড়ের মায়া না করে হাঙ্গরের মাথায় করি কাঠ দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলা হয়। রমণীদের প্রবলর আপত্তি সত্ত্বেও অতি বিভৎস ভাবে হাঙ্গরের দেহ কে ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হয় ।


/>

রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১

মাতাদিন পেশকার কীভাবে লোটা চুরির সন্ধান পেলেন তা সংক্ষেপে লেখো ।

 

মাতাদিন পেশকার কীভাবে লোটা চুরির সন্ধান পেলেন তা সংক্ষেপে লেখো ।

 


প্রশ্ন :- মাতাদিন পেশকার কীভাবে লোটা চুরির সন্ধান পেলেন তা সংক্ষেপে লেখো ।


উত্তর: প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক সতীনাথ ভাদুড়ির লেখা " ডাকাতের মা " গল্পের সনামধন্য ধনী আইনচঙ্গু হলেন মাতাদিন পেশকার ।



[   ] গভীর রাতে সৌখির মা পেশকারের বাড়ীর উত্তর দিকের আড়াই হাত গাঁথা পাঁচিল ডিঙিয়ে এসে বারান্দা থেকে জল ভর্তি লোটা চুরি করে তা দোকানে চৌদ্দ আনায় বিক্রি করে দেয় । সকালে " সখের লোটা " না পেয়ে পেশকার সাহেব " সারা বাড়ী মাথায় করে তোলে "। লোটা হল ঘরের লক্ষী খোকার মা নাকি কান্নার সঙ্গে একথা জানালেন পেশকার তাকে আইনের ধারার কথা শুনিয়ে সেই খবর থানায় পাঠিয়ে দেন । লোটা দৈনন্দিন জীবনে গৃহস্থালির আবশ্যক একটা জিনিস । তার ওপর পেশকার খুঁত খুঁতে হওয়ায় দিনে বারকয়েক লোটা মাজতেন । এরূপ প্রয়োজনীয় জিনিস চুরি হওয়ায় নতুন লোটা না হলে তাঁর চলে না । তাই ফিরতি পথে তিনি লোটা কিনতে বাসনের দোকানে যান ।

[  ] নতুন লোটাগুলোর মুখ ফাঁদালো নয় বলে পেশকার যখন অপছন্দ করে তখন বাসনওয়ালা তাকে একটি পুরানো লোটা দেখায় । লোটা দেখেই পেশকার চিনতে পারে । দোকান দারকে চাপ দিতেই জানায় সৌখির মায়ের কাছ থেকে সে লোটা টা কিনেছে । তখন পেশকার সাক্ষী সহ সকালে সৌখির বাড়িতে যায় চোর ধরতে । এই চুরির কথা জানতে পেরে মাকে অপমানের হাত থেকে বাঁচাতে ডাকাত সৌখি ছিঁচকে চোরের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে জেলে চলে যায় । এদিকে পেশকার তার সখের লোটা ও ফিরে পায় ।



শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১

আমি একদিনও না দেখিলাম তারে - " আমি " ও " তারে " বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? বক্তা তার কাঙ্ক্ষিত জনকে দেখতে পাননি কেন ?

  আমি একদিনও না দেখিলাম তারে  - " আমি " ও " তারে " বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? বক্তা তার কাঙ্ক্ষিত জনকে দেখতে পাননি কেন ?


প্রশ্ন :- " আমি একদিনও না দেখিলাম তারে " - " আমি " ও " তারে " বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? বক্তা তার কাঙ্ক্ষিত জনকে দেখতে পাননি কেন ?





উত্তর:- " আমি " বলতে বাউল সম্রাট , বাউল শিরোমণি লালন ফকিরকে এবং " তারে " বলতে লালনের কাঙ্ক্ষিত আরশিনগরের পড়শী নাম্নী সর্বশক্তিমান , পরমপুরুষ ঈশ্বর কে বোঝানো হয়েছে । এই পড়শী আসলে নিরাকার পরমব্রক্ষ , লালনের মনের মানুষ ।

[   ] চরম দার্শনিকতা বোধে লালন তার মনের মানুষ , অচিন পাখির সন্ধান করেছেন । শাস্ত্রনুযায়ী " আত্মানাং  বিদ্ধি " অর্থাৎ নিজেকে জান । নিজেকে চিনতে বা জানতে পারলেই পরমব্রক্ষ ঈশ্বর কে জানতে পারা যাবে । আরশিনগরের পড়শী কে জানতে হলে প্রথমে নিজেকে জানতে হবে ও চিনতে হবে । লালন ফকির আরশিনগরের পড়শীর সান্নিধ্য লাভ করে মৃত্যু ভয় দূরীভূত করতে চান । সেই মনের মানুষ রুপাতিত , নিরবয়ব , নিরাকার পরমব্রক্ষকে কোনোভাবেই পাওয়া সম্ভব হয় না কারণ দার্শনিক মত ও উপলব্ধিতে জানা গেছে শরীর নিহিত প্রাণশক্তি বা জাগতিশক্তি বস্তুতে প্রাকৃতিক নিয়মনীতি সম্পর্কিত । তাই তাকে বোধ বুদ্ধি দিয়ে বিচার করার পাশাপাশি উপলব্ধি করতে হয় । লালন পঞ্চ ভূতে তার অবস্থান উপলব্ধি করেছেন । কোনোভাবেই পড়শীকে তিনি প্রত্যক্ষ করতে পারবেন না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ।



/>

শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১

ডাকাতের মা গল্প অবলম্বনে ডাকাতের মায়ের মাতৃত্ব বোধের পরিচয় দাও ।

 

ডাকাতের মা গল্প অবলম্বনে ডাকাতের মায়ের মাতৃত্ব বোধের পরিচয় দাও ।



প্রশ্ন :- " ডাকাতের মা " গল্প অবলম্বনে ডাকাতের মায়ের মাতৃত্ব বোধের পরিচয় দাও ।



উত্তর: সতীনাথ ভাদুড়ীর " ডাকাতের মা " গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সৌখির মা । তারই পরিচয় ডিয়ে গল্পের শুরু আর তারই কান্নার মধ্যে দিয়ে গল্পের পরিসমাপ্তি । সৌখীর মায়ের ভাবনা , কর্ম , মমত্ব , এক অব্যক্ত মানসিক যন্ত্রণা হৃদয়স্পশী হয়ে ধরা পড়ে পাঠকের কাছে ।


[  ] দরিদ্র , নিরক্ষর , গ্রাম্য এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার অদন্ত্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিল সৌখীর মা । তাই সে ছেলের হাতের প্রচন্ড প্রহার সহ্য করে বলেছে - " বাপের বেটা , তাই মেজাজ এমন করা "।



সৌখি জেলে গেলে দলের লোকেরা দুবছর বাদে টাকা দেওয়া বন্ধ করলে অত্যন্ত কষ্ট ও পরিশ্রমী এই মহিলা বাড়ী বাড়ী খই মুড়ি বেচেঁ জীবন ধারণ করেছে । আত্মমর্যাদা বোধে কারো ও কাছে হাত পাতেনি , ধার বা ভিক্ষা ও করেনি । তার বউমার দুর্বল শরীরের জন্য , নাতির মুখে দুধ তুলে দিতে তাদের বেয়ায় বাড়ি পাঠিয়েছে আবার ছেলে জেল থেকে ফিরলে তাকে গয়না দিয়ে মুড়ে দেবে এবং তাঁর নাতি যে পথের ভিখারী নয় একথা বলে কন্যা সম পুত্র বধূ ও নাতির প্রতি উপযুক্ত সামাজিক বোধ দীপ্ত ভূমিকা পালন করেছে ।



[    ] প্রবল অপত্যস্নেহে পুত্রের চিন্তা ভাবনা , আচার আচরণ , কাজ সব কিছুকে একদিকে যেমন প্রশ্রয় দিয়েছে সে , তেমনি ছেলে জেল থেকে ফিরলে দারিদ্রের কথা গোপন করে সামান্য আলু চোচচরি ভাত খাওয়ানোর জন্য মর্যাদা হানিকর ছিচকে চোরের কাজ করেছে । গভীর রাতে পেশকারের বাড়ী থেকে লোটা চুরি করে দোকানে বিক্রি করার পরে ধরা পড়ে সৌখির মা । মায়ের সম্মান বাঁচানোর জন্য ছিঁচকে চোরের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে তাঁর গর্বের ডাকাত ছেলে জেলে যেতে বসেছে এটা কখনোই সে মেনে নিতে পারেনি । তাই তাঁর কান্নার মধ্যে দিয়ে গ্লানি ও অনুশোচনার অভিব্যাক্তিতে অসাধারণ মাতৃত্ব বোধের প্রকাশ ঘটেছে ।



বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

শিক্ষার সার্কাস MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

শিক্ষার সার্কাস MCQ  প্রশ্ন ও উত্তর

 
শিক্ষার সার্কাস MCQ  প্রশ্ন ও উত্তর


১। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতাটির অনুবাদক কে ?

ক) উৎপল কুমার বসু

খ) শঙ্খ ঘোষ

গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়

ঘ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়


উত্তর :- ক) উৎপল কুমার বসু


২।  " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতাটির রচয়িতা কে ?

ক) আইয়াপা পানিকর

খ) আইয়াপ্পা পানিকর

গ) আইয়াপ্পা পানিক্কর

ঘ) আইয়াপ পানিকর


উত্তর :- খ) আইয়াপ্পা পানিকর


৩। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতায় ক"টি শ্রেণীর উল্লেখ আছে ?

ক) চারটি

খ) ছয়টি

গ) তিনটি

ঘ) একটি


উত্তর :- ক) চারটি



৪। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতায় কবির মতে " শিক্ষা " আসলে কি ?

ক) সিনেমা

খ) গল্প

গ) সার্কাস

ঘ) আদর্শ


উত্তর :- ঘ) আদর্শ



৫। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতা টি কোন ভাষার কবিতা ?

ক) তামিল

খ) তেলেগু

গ) মালায়ালম

ঘ) কন্নড়


উত্তর :- গ) মালায়ালম


৬। জ্ঞান যেখানে গেছে সেখানে কি আছে ?

ক) শিক্ষা

খ) বিশ্বাস

গ) আদর্শ

ঘ) ধোঁকা


উত্তর :- ঘ) ধোঁকা


৭। " সব শিক্ষা একটি সার্কাস " কারণ ?

ক) শিক্ষার সাহায্যে আমরা একের পর এক শ্রেণীতে উঠি

খ) এ খানে নানা রকম খেলা শেখানো হয়

গ) বই না পড়লে সার্কাসে নাম লেখানো যায় না

ঘ) সার্কাস দেখতে হলে প্রথম শ্রেণীতে পাস করা দরকার


উত্তর :- ক) শিক্ষার সাহায্যে আমরা একের পর এক শ্রেণীতে উঠি



৮। "  যদি আমি দ্বিতীয় শ্রেণী পাস করি " তাহলে কি হবে ?

ক) আমি চতুর্থ শ্রেণীতে যাব

খ) আমি পুরষ্কার পাব

গ) আমি সোজা তৃতীয় শ্রেণীতে যাব

ঘ) আমি শিক্ষকের কাছে বাহবা পাব


উত্তর :- গ) আমি সোজা তৃতীয় শ্রেণীতে যাব



৯। সব শ্রেণী শেষ হওয়ার পর কে কোথায় যাবেন ?

ক) কবি পরের শ্রেণীতে যাবেন

খ) কবি কলেজে যাবেন

গ) কবি নতুন স্কুলে যাবেন

ঘ) কবি সার্কাসে যাবেন


উত্তর :- ক) কবি পরের শ্রেণীতে যাবেন


১০। শিক্ষাকে আমরা কীভাবে ব্যাবহার করি বলে কবি মনে করেছেন ?

ক) বৃত্তি রূপে

খ) পরিচিতি রূপে

গ) সার্কাস রূপে

ঘ) ক্রীড়া রূপে


উত্তর :- গ) সার্কাস রূপে


১১।  " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতাটির উৎস যে কাব্য -

ক) দিন রাত্রি

খ) দিন এবং রাত্রি

গ) দিন ও রাত্রি

ঘ) দিবস রজনী


উত্তর :- গ) দিন ও রাত্রি



১২।  " শিক্ষার সার্কাস  " এ প্রশ্নবোধক কটি বাক্য আছে ?

ক) দুটি

খ) পাঁচটি

গ) ছয়টি

ঘ) সাতটি


উত্তর :- খ) পাঁচটি



১৩।  " শিক্ষার সার্কাস  " এ কতবার শ্রেণীর উল্লেখ আছে ?

ক) সাত

খ) নয়

গ) বারো

ঘ) তেরো


উত্তর :- গ) বারো 


/>