শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১

আমি একদিনও না দেখিলাম তারে - " আমি " ও " তারে " বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? বক্তা তার কাঙ্ক্ষিত জনকে দেখতে পাননি কেন ?

  আমি একদিনও না দেখিলাম তারে  - " আমি " ও " তারে " বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? বক্তা তার কাঙ্ক্ষিত জনকে দেখতে পাননি কেন ?


প্রশ্ন :- " আমি একদিনও না দেখিলাম তারে " - " আমি " ও " তারে " বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? বক্তা তার কাঙ্ক্ষিত জনকে দেখতে পাননি কেন ?





উত্তর:- " আমি " বলতে বাউল সম্রাট , বাউল শিরোমণি লালন ফকিরকে এবং " তারে " বলতে লালনের কাঙ্ক্ষিত আরশিনগরের পড়শী নাম্নী সর্বশক্তিমান , পরমপুরুষ ঈশ্বর কে বোঝানো হয়েছে । এই পড়শী আসলে নিরাকার পরমব্রক্ষ , লালনের মনের মানুষ ।

[   ] চরম দার্শনিকতা বোধে লালন তার মনের মানুষ , অচিন পাখির সন্ধান করেছেন । শাস্ত্রনুযায়ী " আত্মানাং  বিদ্ধি " অর্থাৎ নিজেকে জান । নিজেকে চিনতে বা জানতে পারলেই পরমব্রক্ষ ঈশ্বর কে জানতে পারা যাবে । আরশিনগরের পড়শী কে জানতে হলে প্রথমে নিজেকে জানতে হবে ও চিনতে হবে । লালন ফকির আরশিনগরের পড়শীর সান্নিধ্য লাভ করে মৃত্যু ভয় দূরীভূত করতে চান । সেই মনের মানুষ রুপাতিত , নিরবয়ব , নিরাকার পরমব্রক্ষকে কোনোভাবেই পাওয়া সম্ভব হয় না কারণ দার্শনিক মত ও উপলব্ধিতে জানা গেছে শরীর নিহিত প্রাণশক্তি বা জাগতিশক্তি বস্তুতে প্রাকৃতিক নিয়মনীতি সম্পর্কিত । তাই তাকে বোধ বুদ্ধি দিয়ে বিচার করার পাশাপাশি উপলব্ধি করতে হয় । লালন পঞ্চ ভূতে তার অবস্থান উপলব্ধি করেছেন । কোনোভাবেই পড়শীকে তিনি প্রত্যক্ষ করতে পারবেন না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ।



/>

শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১

ডাকাতের মা গল্প অবলম্বনে ডাকাতের মায়ের মাতৃত্ব বোধের পরিচয় দাও ।

 

ডাকাতের মা গল্প অবলম্বনে ডাকাতের মায়ের মাতৃত্ব বোধের পরিচয় দাও ।



প্রশ্ন :- " ডাকাতের মা " গল্প অবলম্বনে ডাকাতের মায়ের মাতৃত্ব বোধের পরিচয় দাও ।



উত্তর: সতীনাথ ভাদুড়ীর " ডাকাতের মা " গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সৌখির মা । তারই পরিচয় ডিয়ে গল্পের শুরু আর তারই কান্নার মধ্যে দিয়ে গল্পের পরিসমাপ্তি । সৌখীর মায়ের ভাবনা , কর্ম , মমত্ব , এক অব্যক্ত মানসিক যন্ত্রণা হৃদয়স্পশী হয়ে ধরা পড়ে পাঠকের কাছে ।


[  ] দরিদ্র , নিরক্ষর , গ্রাম্য এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার অদন্ত্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিল সৌখীর মা । তাই সে ছেলের হাতের প্রচন্ড প্রহার সহ্য করে বলেছে - " বাপের বেটা , তাই মেজাজ এমন করা "।



সৌখি জেলে গেলে দলের লোকেরা দুবছর বাদে টাকা দেওয়া বন্ধ করলে অত্যন্ত কষ্ট ও পরিশ্রমী এই মহিলা বাড়ী বাড়ী খই মুড়ি বেচেঁ জীবন ধারণ করেছে । আত্মমর্যাদা বোধে কারো ও কাছে হাত পাতেনি , ধার বা ভিক্ষা ও করেনি । তার বউমার দুর্বল শরীরের জন্য , নাতির মুখে দুধ তুলে দিতে তাদের বেয়ায় বাড়ি পাঠিয়েছে আবার ছেলে জেল থেকে ফিরলে তাকে গয়না দিয়ে মুড়ে দেবে এবং তাঁর নাতি যে পথের ভিখারী নয় একথা বলে কন্যা সম পুত্র বধূ ও নাতির প্রতি উপযুক্ত সামাজিক বোধ দীপ্ত ভূমিকা পালন করেছে ।



[    ] প্রবল অপত্যস্নেহে পুত্রের চিন্তা ভাবনা , আচার আচরণ , কাজ সব কিছুকে একদিকে যেমন প্রশ্রয় দিয়েছে সে , তেমনি ছেলে জেল থেকে ফিরলে দারিদ্রের কথা গোপন করে সামান্য আলু চোচচরি ভাত খাওয়ানোর জন্য মর্যাদা হানিকর ছিচকে চোরের কাজ করেছে । গভীর রাতে পেশকারের বাড়ী থেকে লোটা চুরি করে দোকানে বিক্রি করার পরে ধরা পড়ে সৌখির মা । মায়ের সম্মান বাঁচানোর জন্য ছিঁচকে চোরের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে তাঁর গর্বের ডাকাত ছেলে জেলে যেতে বসেছে এটা কখনোই সে মেনে নিতে পারেনি । তাই তাঁর কান্নার মধ্যে দিয়ে গ্লানি ও অনুশোচনার অভিব্যাক্তিতে অসাধারণ মাতৃত্ব বোধের প্রকাশ ঘটেছে ।



বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

শিক্ষার সার্কাস MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

শিক্ষার সার্কাস MCQ  প্রশ্ন ও উত্তর

 
শিক্ষার সার্কাস MCQ  প্রশ্ন ও উত্তর


১। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতাটির অনুবাদক কে ?

ক) উৎপল কুমার বসু

খ) শঙ্খ ঘোষ

গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়

ঘ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়


উত্তর :- ক) উৎপল কুমার বসু


২।  " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতাটির রচয়িতা কে ?

ক) আইয়াপা পানিকর

খ) আইয়াপ্পা পানিকর

গ) আইয়াপ্পা পানিক্কর

ঘ) আইয়াপ পানিকর


উত্তর :- খ) আইয়াপ্পা পানিকর


৩। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতায় ক"টি শ্রেণীর উল্লেখ আছে ?

ক) চারটি

খ) ছয়টি

গ) তিনটি

ঘ) একটি


উত্তর :- ক) চারটি



৪। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতায় কবির মতে " শিক্ষা " আসলে কি ?

ক) সিনেমা

খ) গল্প

গ) সার্কাস

ঘ) আদর্শ


উত্তর :- ঘ) আদর্শ



৫। " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতা টি কোন ভাষার কবিতা ?

ক) তামিল

খ) তেলেগু

গ) মালায়ালম

ঘ) কন্নড়


উত্তর :- গ) মালায়ালম


৬। জ্ঞান যেখানে গেছে সেখানে কি আছে ?

ক) শিক্ষা

খ) বিশ্বাস

গ) আদর্শ

ঘ) ধোঁকা


উত্তর :- ঘ) ধোঁকা


৭। " সব শিক্ষা একটি সার্কাস " কারণ ?

ক) শিক্ষার সাহায্যে আমরা একের পর এক শ্রেণীতে উঠি

খ) এ খানে নানা রকম খেলা শেখানো হয়

গ) বই না পড়লে সার্কাসে নাম লেখানো যায় না

ঘ) সার্কাস দেখতে হলে প্রথম শ্রেণীতে পাস করা দরকার


উত্তর :- ক) শিক্ষার সাহায্যে আমরা একের পর এক শ্রেণীতে উঠি



৮। "  যদি আমি দ্বিতীয় শ্রেণী পাস করি " তাহলে কি হবে ?

ক) আমি চতুর্থ শ্রেণীতে যাব

খ) আমি পুরষ্কার পাব

গ) আমি সোজা তৃতীয় শ্রেণীতে যাব

ঘ) আমি শিক্ষকের কাছে বাহবা পাব


উত্তর :- গ) আমি সোজা তৃতীয় শ্রেণীতে যাব



৯। সব শ্রেণী শেষ হওয়ার পর কে কোথায় যাবেন ?

ক) কবি পরের শ্রেণীতে যাবেন

খ) কবি কলেজে যাবেন

গ) কবি নতুন স্কুলে যাবেন

ঘ) কবি সার্কাসে যাবেন


উত্তর :- ক) কবি পরের শ্রেণীতে যাবেন


১০। শিক্ষাকে আমরা কীভাবে ব্যাবহার করি বলে কবি মনে করেছেন ?

ক) বৃত্তি রূপে

খ) পরিচিতি রূপে

গ) সার্কাস রূপে

ঘ) ক্রীড়া রূপে


উত্তর :- গ) সার্কাস রূপে


১১।  " শিক্ষার সার্কাস  " কবিতাটির উৎস যে কাব্য -

ক) দিন রাত্রি

খ) দিন এবং রাত্রি

গ) দিন ও রাত্রি

ঘ) দিবস রজনী


উত্তর :- গ) দিন ও রাত্রি



১২।  " শিক্ষার সার্কাস  " এ প্রশ্নবোধক কটি বাক্য আছে ?

ক) দুটি

খ) পাঁচটি

গ) ছয়টি

ঘ) সাতটি


উত্তর :- খ) পাঁচটি



১৩।  " শিক্ষার সার্কাস  " এ কতবার শ্রেণীর উল্লেখ আছে ?

ক) সাত

খ) নয়

গ) বারো

ঘ) তেরো


উত্তর :- গ) বারো 


/>

ভাত MCQ প্রশ্ন ও উত্তর









:· উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা গল্প ভাত গল্পের কিছু MCQ প্রশ্ন ও  দেওয়া হলো ।


১) বড়ো বাড়ির বড়ো বউ–এর প্রথম থেকেই ভালো লাগেনি বাড়িতে কাজ করতে আসা লোকটার ?
ক) চলাফেরা
খ) ভাবভঙ্গি
গ) চাহনি
ঘ) কথাবার্তা

উত্তর :– চাহনি

২)" কিরকম যেন – চাহনি ।"
ক)অন্যরকম
খ)উগ্র
গ)প্রখর
ঘ)বিচ্ছিরি

উত্তর :– উগ্র

৩)" কিন্তু – বলল , ভাত খাবে কাজ করবে " ?
ক) বুড়ো কর্তা
খ) বড়ো পিসিমা
গ)মেজো বউ
ঘ) বামুন ঠাকুর

উত্তর :– বড়ো পিসিমা

৪) "এ – সব কিছুই চলে বড়ো পিসিমার নিয়মে ।"
ক)সংসার
 খ) বাড়িতে
গ) পরিবারে
ঘ)সমাজে

উত্তর :– সংসার

৫)" এই – দফায় কাজ করবে, পেটে দুটো খাবে বই তো নয় ?
ক)  দশ
খ)বারো
গ) ষোলো
ঘ) চোদ্দ

উত্তর :– চোদ্দ


৬) কেনা চাল নয় , – থেকে চাল আসছে  ?
ক) বাদা
খ) খেত
গ) জমি
ঘ) গোলা

উত্তর :– বাদা

৭) বড়ো বাড়ির বৃদ্ধ মরতে বসেছে বলে বড়ো বাড়িতে কী হচ্ছিল  ?
ক) পুজো আচ্চা
খ) হোম যোগি
গ) শান্তি
ঘ) ডাক্তার বদ্দি

উত্তর :– হোম যোগি

৮) তার শশুরই মরতে বসেচেন । শশুরের বয়স্ হয়েছিল ?
ক) আটাতর
খ) আশি
গ) বিরাশি
ঘ) পঁচাশি

উত্তর :– বিরাশি

৯) ভাত গল্পে মুমুষ বৃদ্ধের স্ত্রীকে ভালো মন্দ রান্না করে খাওয়া ছিল ?
ক)  বাসিনী
খ) বামুন ঠাকুর
 গ)বড়ো বউ
ঘ) মেজো বউ

উত্তর :– মেজো বউ

১০) বড়ো বউ যখন বুড়ো কর্তার ঘরে গিয়েছিল , তখন সে ঘরে আর কে ছিল ?
ক) বড়ো পিসিমা
খ)  বউ
গ) বাসিনী
ঘ) নার্স

উত্তর :– নার্স


১১) সে একটু বসলে পরে – এসে চা খেয়ে যাবে ?
ক)নার্স
খ) বড়ো পিসিমা
গ) বাসিনী
ঘ) মেজো বউ

উত্তর :– নার্স

১২) তার আসার কথা ওঠেনা  – কার ?
ক) বড়ো ছেলে
খ) মেজো ছেলে
গ) সেজো ছেলে
ঘ) ছোটো ছেলে

উত্তর :– সেজো ছেলে

১৩) ভাত গল্পের বড়ো বাড়ির ছেলেরা সকাল ক–টার আগে ঘুম থেকে উঠে না ?
ক) আটটায়
খ) ন ' টায়
গ) দশটায়
ঘ) এগারোটায়

উত্তর :– এগারোটায়

১৪) ভাত গল্পের বুড়ো কর্তা দের কতগুলি দেবত্র বাড়ি ছিল ?
ক) আট টা
খ) আঠারো টা
গ) বাড়ো টা
ঘ) ষোলো টা

উত্তর :– আঠারো টা

১৫) বাদা অঞ্চলে – জমি থাকলে কাজ বা করে কে ?
ক) অসাগর
খ) দোফসলী
গ) তিন ফসলি
ঘ) উবর

উত্তর :– অসাগর


১৬) – বলে দিয়েছে বলেই তো আজ এই হোম যজ্ঞ হচ্ছে ?
ক) ছেলেরা
খ) ডাক্তাররা
গ) পুরোহিতরা
ঘ) বড়ো পিসিমা

উত্তর :– ডাক্তাররা

১৭) কার বাবা তান্ত্রিক এনেছিলেন ?
ক) বড়ো বউ – এর
খ) মেজো বউ– এর
গ) সেজো বউ–এর
ঘ) ছোটো বউ–এর

উত্তর :– ছোটো বউ–এর

১৮) কালো বিড়ালের লোম আনতে যে গিয়েছিল , তার নাম  ?
ক) স্বপন
খ) বিমল
গ) ভজন
ঘ) দীপেন

উত্তর :– ভজন

১৯) ভাত গল্পে যজ্ঞের জন্যে কথা থেকে বালি আনার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল ?
ক) নদী
খ) সমুদ্র
গ) শশান
ঘ) কবর খানা

উত্তর :– শশান

২০) এমন সময়ে – জল বাতাসের চাবুকে ছটফটিয়ে উঠে এসেছিল ?
ক) গঙ্গার
খ) মাতলার
গ) নদীর
 ঘ) সাগরের

উত্তর :– মাতলার




২১) তোরেও তো টেনে নেছেল । বক্তা কে ?
ক) বাসিনী
খ) সাধন
গ) ভজন
ঘ) সতীশ

উত্তর :– সাধন

২২) উচ্ছবের বাবার নাম ছিল  ?
ক) সাধন
খ) ভজন
গ) সতীশ
 ঘ) হরিচরণ

উত্তর :– হরিচরণ

২৩) উচ্ছবদের অঞ্চলে পুরোহিত ছিল –?
ক) সাধন
খ) ভজন
গ) হরিচরণ
ঘ) মহানাম

উত্তর :– মহানাম

২৪) বড়ো বাড়ির মন্দিরের মাথায় যে ত্রিশূল টা ছিল, তা ছিল – ?
ক) সোনার
খ) রুপোর
গ) স্টিলের
ঘ) পেতলের

উত্তর :– পেতলের

২৫) বাসিনী উচ্ছব কে লুকিয়ে কী খেতে দিয়েছিল ?
ক) চিরে
খ) মুড়ি
গ) খই
ঘ) ছাতু

উত্তর :– ছাতু


২৬) অন্ন লক্ষী এ কথা টা উচ্ছবকে কে বলত ?
ক) তার বাবা
খ) তার মা
গ) তার দাদা
ঘ) তার ঠাকুমা

উত্তর :– তার ঠাকুমা

২৭) ভাত গল্পের বুড়ো কর্তার মৃত্যু হয়েছিল কত বছর বয়সে ?
ক) আটাতর
খ) আশি
গ) বিরাশি
ঘ) চুরাশি

উত্তর :– বিরাশি

২৮) সকালে লোকজন উচ্ছবকে সেখানেই ধরে ফেলে । জায়গাটি হলো –?
ক) রাস্তায়
খ) পার্কে
গ) ট্রেনে
 ঘ)  প্লাটফর্মে

উত্তর :– প্লাটফর্মে

২৯) কোথায় যাওয়া ট্রেনে উঠে বসার কথা ভেবেছিল উচ্ছব ?
ক) খিকান্ত পুর
খ) কানিং
গ) ডায়মন্ড হারবার
ঘ) লক্ষীকান্ত পুর

উত্তর :– কানিং

৩০)বুড়ো কর্তার কত বছর বেঁচে থাকার কথা ছিল বলে বড়ো পিসিমা জানিয়েছিলেন ?
ক) একশ বছর
খ)  বিরান্নবই বছর
গ) আটানব্বই বছর
ঘ) সাতাশি বছর

উত্তর :– আটানব্বই বছর


৩১) ভাত গল্প টি প্রকাশিত হয়েছিল কোন প্রত্রিকায় ?
ক) কল্লোল
খ) আনন্দ বাজার
গ) মেনিফেস্টো
 ঘ) আজকাল

উত্তর :– মেনিফেস্টো

৩২) উনি হলেন দেবতার সেবিকা । উনি বলতে যার কথা বলা হয়েছে  ?
ক) বড়ো বউ
খ) বড়ো পিসিমা
গ) চ্ন্নুনির মা
ঘ) টুনুর মা

উত্তর :– বড়ো পিসিমা

৩৩)বড়ো বাড়িতে – মন্দিরও আছে একটা ?
ক) লক্ষী
খ) দুর্গা
গ)  শিব
ঘ) কালী

উত্তর :– শিব

৩৪) বামুন চাকর ঝি দের জন্য – চাল ?
ক) ঝিঙেশাল
খ) রামশাল
গ) পদ্মজালি
ঘ) মোটা সাপটা

উত্তর :– মোটা সাপটা

৩৫) চিরকালই উচ্ছব যে নামে পরিচিত ।
ক) জেলে
খ) ভিখিরি
গ)  নাইয়া
ঘ) বদমাশ

উত্তর :– নাইয়া

৩৬) হোম - যজ্ঞ হচ্ছে । হোম যজ্ঞের জন্য আনা হয়েছিল  ?
ক) বেল, বেলকাঠ, ধুনো,বাতাসা,
খ) আম,বেল, জাম, কেওড়া গাছের কাঠ
গ) বেল, বট, অ্শ্বস্থ , আম গাছের কাঠ
ঘ) বেল, কেওরা, অ্শ্বস্থ, বট, তেতুঁল কাঠ

উত্তর :– বেল, কেওরা, অ্শ্বস্থ, বট, তেতুঁল কাঠ

৩৭) নিরামিষ তরকারির সঙ্গে যে – চালের ভাত খাওয়া হত , তা হলো  ?
ক) কনক পানি
খ)  রামশাল
গ) পদ্মজালি
ঘ)  ঝিঙেশাল

উত্তর :– ঝিঙেশাল

৩৮) উচ্ছবের গ্রাম – সম্পর্কিত বোনের নাম ?
ক) চ্ন্নুনি
খ) লক্ষী
গ) টুনু
ঘ) বাসিনী

উত্তর :– বাসিনী

৩৯) বড়ো বাড়িতে মাছের সঙ্গে যে চালের ভাত খাওয়া হয় , তা হলো – ?
ক) ঝিঙেশাল
খ) পদ্মজালি
গ) রামশাল
ঘ) কনকপানি

উত্তর :– রামশাল

৪০)মন্দিরের চাতালে কত গুলি ছেলে তাস খেলছিল ?
ক) দুজন
খ) তিনজন
গ) চারজন
ঘ) পাঁচজন

উত্তর :– তিনজন

৪১) যজ্ঞের জন্য উচ্ছব কাঠগুলো কাটছিল কত হাত লম্বা করে ?
ক) দেড়
খ) দুই
গ) আড়াই
ঘ) তিন

উত্তর :– দেড়

৪২) বুড়ো কর্তার মৃতদেহ সৎ কারে নিয়ে যাওয়া হয় – ?
ক) রাত একটার পর
খ) রাত বারোটার পর
গ) রাত নটার পর
 ঘ) রাত দু–টোর পর

উত্তর :– রাত একটার পর

৪৩) পদ্মজালি চাল রান্না হয় ?
ক) বড়োবাবুর জন্য
খ)  মেজো আর ছোটবাবুর জন্য
গ)  বামুন , চাকর, ঝিদের জন্য
ঘ) বাড়ির বউ দের জন্য

উত্তর :– বড়োবাবুর জন্য

৪৪)রাস্তার দোকান থেকে চা আসতে থাকে । কারন ?
ক)  বাড়িতে চায়ের ব্যাবস্থা ছিল না
খ)  বাড়িতে চা করার মতো কেউ ছিল না
গ)  বাড়িতে উনুন জ্বলবে না
ঘ)  বাড়িতে সবাই কাজে ব্যাস্ত

উত্তর :– বাড়িতে উনুন জ্বলবে না



কে বাঁচায় কে বাঁচে MCQ গল্প প্রশ্ন ও উত্তর 

ভারতবর্ষ গল্প MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

বিভাব নাটক  MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

নানা রঙ্গের দিন নাটক MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

অলৌকিক  MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 


পড়তে জানে এমন এক মজুরের প্রশ্ন  উত্তর


গান MCQ  প্রশ্নও উত্তর 

বিজ্ঞান. MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

খেলা. MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

চিত্রকলা  MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

সিনেমা  MCQ প্রশ্ন ও উত্তর 

রূপ নারানের কূলে প্রশ্ন ও উত্তর

আমি দেখি  MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

মহুয়ার দেশ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

শিকার MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

ক্রন্দনরতা জননীর পাশে MCQ প্রশ্ন ও উত্তর




বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

তেলেনাপোতা আবিষ্কার গল্পে যামিনীর চরিত্র সংক্ষেপে বর্ণনা করো

 

তেলেনাপোতা আবিষ্কার গল্পে যামিনীর চরিত্র সংক্ষেপে বর্ণনা করো

 





প্রশ্ন :- " তেলেনাপোতা আবিষ্কার " গল্পে যামিনী র চরিত্র সংক্ষেপে বর্ণনা করো ।


উত্তর : কল্লোল যুগের বিখ্যাত কথা সাহিত্যিক ও ছোটো গল্পকার প্রেমেন্দ্র মিত্রের লেখা " তেলেনাপোতা আবিষ্কার " গল্পের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হল যামিনী । তার চরিত্রের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল -

সংকোচ হীনতা : যামিনীর ব্যাবহার ও কর্থা বার্তায় কোনো জড়তা ছিল না । আড়ষ্টতাহিন স্পষ্টবাদী যামিনী তাই প্রথম দর্শনেই গল্প কথক কে মন দিয়ে মাছ শিকার ও তার মায়ের কথা মনির কাছে অসংকোচে ব্যক্ত করেছে ।

জীবনমুখী : বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে দাঁড়িয়ে আবেগের স্রোতে সে গা ভাসিয়ে দেয়নি । সে জানতো তার স্বপ্ন ভঙ্গকারী নিরঞ্জন কখনোই ফিরবে না তবুও সে জীবন বিমুখ হয়নি ।

সেবাব্রতী : যামিনী সংসারের সমস্ত দায়িত্ত্ব বহন করেও অসুস্থ মাকে সেবাযত্ন কোনো খামতি বুঝতে দেয়নি । তাই যামিনীর মায়ের মুখে মেয়ের গুণের কথা শোনা যায় ।

বুদ্ধিমত্তা : যামিনী বাস্তবের সঙ্গে লড়াই করা এক নারী চরিত্র । সে বুদ্ধিমতী , বিচক্ষণ । সে জানতো তার মা নির্থক নিরঞ্জনের খোঁজ করছে । পুকুর ঘাটের ও লেখকদের প্রত্যাবর্তনের কথা বার্তা তেও তার বিচক্ষণতা ধরা পড়েছে ।

শান্ত করুন প্রতিচ্ছবি : যামিনী চরিত্রের মধ্যে লেখক চিরন্তর এক পল্লী ললনার শন্ত্র - করুন , বিষাদ - গম্ভীর প্রতিচ্ছবি দেখিয়েছেন । তার অপুষ্ট শরীর হাজার চিন্তায় যেন ধসে পড়েছে । যৌবনে উত্তিন হওয়া তার যেন স্থগিত হয়ে আছে ।

এভাবেই প্রেমেন্দ্র মিত্রের শান্ত , ধীর স্থির , নিঃসঙ্গ যামিনী নামক এক বঙ্গ ললনার গ্রাম্য বিষাদ করুন মূর্তি বাংলা সাহিত্যে অন্যান্য ও বাত্তিক্রম কালজয়ী সৃষ্টি ।




/>

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১

তেলেনোপতা আবিষ্কার গল্পে মাছ ধরার সময় পুকুর ঘাটের দৃশ্য টি বর্ণনা দাও

 

তেলেনোপতা আবিষ্কার গল্পে মাছ ধরার সময় পুকুর ঘাটের দৃশ্য টি বর্ণনা দাও

 

 





প্রশ্ন :- " তেলেনোপতা আবিষ্কার " গল্পে মাছ ধরার সময় পুকুর ঘাটের দৃশ্য টি বর্ণনা দাও ।



উত্তর :- প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত " তেলেনোপতা আবিষ্কার  " গল্প টি বাস্তব ও রোমান্সের অদ্ভুত মেলবন্ধন । সুদূর কলকাতা থেকে গল্প কথক দুজন বন্ধু সহ
 তেলেনোপতায় আসেন মাছ শিকারের উদ্দেশ্য । শ্যাওলা ভরা পুকুর ঘাটে বসে গল্প কথক যখন পানা ভরা সবুজ জলে চারসহ বড়শি পেলেন তখন একই উদ্দেশ্য পূরণে প্রত্যাশী কয়েকটি প্রাণীর উপস্থিতি লক্ষ্য করেন । তারা যথারীতি গল্প কথক কে বিরক্ত করছিল । এক মাছরাঙা পাখি বাতাসে রঙের ঝিলিক বুলিয়ে পুকুরের জলে ঝাঁপ দিয়ে সার্থক শিকার ধরে গল্প কথক কে যেন বিদ্রুপ করছিল । একটি সাপ ঘাটের ফাটল থেকে বেরিয়ে গল্প কথক কে ভীত সন্ত্রস্ত করে " ধীর অচঞ্চল গতিতে " সাঁতরে অপর পারে উঠেছিল । দুটি ফড়িং পাল্লা দিয়ে " পাতলা কাঁচের মতো পাখা নেড়ে " ফাতনার উপর বসার চেষ্টা করছিল । একটি ঘু ঘু পাখী ক্রমাগত ডেকে ডেকে গল্প কথকের মাছ ধরার মনোসংযোগে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছিল । এভাবেই গল্প কথক যখন প্রায় আনমনা সেই সময় হটাৎ জলের শব্দে চমকে ওঠে শোনেন - বসে আছেন কেন ? টান দিন । দীর্ঘ ,শীর্ণ , অপুষ্ট শরীরের অধিকারিনী যামিনির এই বক্তব্য ও ছিল । যামিনী চলে যাওয়ার পর গল্প কথক দেখেন বড়শি তে টপ আর নেই । এভাবেই গল্প কথক প্রকৃতির পটে আঁকা নির্জন পুরী তেলেনাপতার পুকুরে মাছ শিকার করার সময় কালীন পুকুর ঘাটের আনুপূর্বিক বিবরণ উপস্থাপিত করেছেন ।


সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১

কর্তার ভূত গল্প অবলম্বনে ভূতুড়ে জেলখানার বিবরণ দাও ?

কর্তার ভূত  গল্প অবলম্বনে ভূতুড়ে জেলখানার বিবরণ দাও ?

 

প্রশ্ন :-  "কর্তার ভূত " গল্প অবলম্বনে ভূতুড়ে জেলখানার বিবরণ দাও ?


উত্তর :- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের " লিপিকা " গ্রন্থের অন্তর্গত "কর্তার ভূত " গল্পে ভূত শাসন তন্ত্রে নায়েব গমোস্থারা মৃত কর্তার অশরীরী অসিস্তত্তের ভয় দেখিয়ে শোষণ পীড়নের প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যায় । তাদের চেতনা ও বিচার বুদ্ধি নিরুপদ্রব ঘুমের শান্তিতে অসারে শায়িত থাকে । এই সুযোগে বহিরাগত বুলবুলি , বর্গী ও ভূতের পেয়াদারা এসে শোষণ পীড়ন চালায় মানুষের ওপর । এই শোষণ পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোকে তাত্ত্বিকেরা অন্যায় বলে বিধান দেয় । সেই জন্যে প্রতিবাদীরা ভূতের কানমলা খায় । মানুষের অসচেতনতা , অজ্ঞতাই এই তাত্ত্বিকদের কাছে কাঙ্ক্ষিত । ভূত শাসন তন্ত্র টিকিয়ে রাখার জন্য রাষ্ট্র শক্তি দুটি কৌশল নিরন্তর চালু রাখে -

ক) তাত্ত্বিকদের দ্বারা অজ্ঞানতার দর্শন প্রচার ।

খ) ভূতুড়ে জেলখানার ভয় দেখানো ।

[  ] যারা প্রতিবাদী , প্রশ্নকারী , বিদ্রোহী তাদের স্থান হয় ভূতুড়ে জেলখানায় । সেই জেলখানার দারোগা স্বয়ং নায়েব । দেওয়াল বিহীন জেলখানার ঘানিতে তাদের তেজ বা শক্তি বের করে শান্ত করে রাখা হয় । তিনি গণতন্ত্রের নামে প্রহসন চালিয়ে পীড়ন বে ব্যাবস্থাকে অদৃশ্য রাখতে সদা তৎপর থাকেন । প্রকৃত পক্ষে জেলখানা হল সংশোধনাগার । দেশের শান্তি ও নিরপত্তা রক্ষায় অপারাধিদের রাখার স্থান। কিন্তু ভূতুড়ে জেলখানা মানুষের তেজ বের করে অচলায়তনের  বাঁধা গতে আবদ্ধ রাখার কৌশল মাত্র । এ খানে অন্ন , বস্ত্র , বাসস্থান , শিক্ষা , সাস্থ্য না থাকলেও এর ফলে দেশ জুড়ে শান্তি বজায় থাকে । এভাবেই তীব্র শ্লেষ পূর্ন ভাষায় লেখক " কর্তার ভূত " গল্পে বর্ণিত জেলখানার বর্ণনা করেছেন ।