বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২০

শাক্তপদকর্তা রাম প্রসাদ সেনের কবি প্রতিভার পরিচয় দাও ?


পশ্চিম বঙ্গ বোড একাদশ শ্রেণী বাংলা পাঠ্য কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন বা কয়েক টি গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী বাংলা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা বড়ো রচোনাধর্মি প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী ফাইনাল পরীক্ষা বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , WB class xi Bangla suggestions, class eleven Bangla suggestions, class 11 bangla kobita suggestions, class 11 Bangla Kobita nildhojer proti jona suggestions,
শাক্তপদকর্তা রাম প্রসাদ সেনের কবি প্রতিভার পরিচয় দাও ? 
উত্তর :- শাক্ত পদাবলীর শ্রেষ্ট কবি রাম প্রসাদ সেন । নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কবিকে " কবিরঞ্জন " উপাধি দেন । কবি ২৪ পরগনার হালি শহরে র নিকট কুমার হট্ট গ্রামে বৈদ বংশে জন্ম গ্রহণ করেন আনুমানিক ১৭২০ - ২১ খিস্টাবদে । ১৭৮১ খিস্তাবদে কবি প্রয়াত হন । তার পিতা রাম রাম সেন । কবি রাম প্রসাদ সেন " আগমনী ও বিজয়া " পর্যায়ে পদ রচনা করেন । তবে " ভক্তের আকুতি " পর্যায়ে র পদ রচনায় তিনি শ্রেষ্ট । কবির লেখা তিন খানি কাব্য - " বিদ্যাসুন্দর " , " কৃষ্ণ কীর্তন ", কালী কীর্তন , ।
[  ] রাম প্রসাদের পদ গুলিতে সহজ , সরল ভাষায় ভক্ত প্রাণের গভীর আকুতি প্রকাশিত হয়েছে । ভাবের গভীরতা , সহজ প্রকাশ ভঙ্গিমায় প্রসাদ সঙ্গীতের আবেদন সর্ব ব্যাপক । সরল সুরে ,চলিত ভাষায র ছন্দে , প্রাণ ঢালা আবেগে রচিত রাম প্রসাদি সুরে মানুষের শান্তি , সস্তি ও নির্ভরতার এক আশ্চর্য জগৎ গড়ে উঠেছে । " মা আমায় ঘুরাবে কত , " " আমি কি দুঃখেরে ডরাই ", " আসার আশা ভবে আসা ", আসা মাত্র হলো ", প্রভূতি গানে আমাদের অন্তরের কথাকেই কবি তুলে ধরেছেন নিতান্ত সহজভাবে । " ভক্তের আকুতি " পর্যায়ে মায়ের প্রতি কবির অভিযোগ - অনুযোগ মা ও ছেলের চিরন্তর স্নেহে সম্পর্কের কথাই আমাদের সরণ করিয়ে দেয় । তত্ব ভারে গান গুলি কখনোই দুর্বোধ্য হয়ে পড়েনি । শাক্ত পদ কর্তা রাম প্রসাদ সেনের গান বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ ।


/>

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য কবি কৃতিত্ব পরিচয় দাও


পশ্চিম বঙ্গ বোড একাদশ শ্রেণী বাংলা পাঠ্য কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন বা কয়েক টি গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী বাংলা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা বড়ো রচোনাধর্মি প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী ফাইনাল পরীক্ষা বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , WB class xi Bangla suggestions, class eleven Bangla suggestions, class 11 bangla kobita suggestions, class 11 Bangla Kobita nildhojer proti jona suggestions,


উত্তর :- খ্যাতনামা শ্যামা সঙ্গীতের কমলাকান্ত ভট্টাচার্য আনুমানিক ১৭৭২ - ১৮২১ খিস্টাব্দে তার গভীর ভক্তি ও আন্তরিকতা সমৃদ্ধ গানের জন্যে বাংলা শাক্ত সাহিত্যে স্মরণীয় হয়ে আছেন । তার পৈতৃক নিবাস বর্ধমান জেলার কালনা গ্রামে । " সাধক রঞ্জন " নামে তার একটি বিখ্যাত তান্ত্রিক কবিতা গ্রন্থ আছে । তিনি সাধন ভজন করতেন , টোল খুলে সংস্কৃত বিদ্যা দান করতেন এবং অবসর সময়ে শ্যামা সঙ্গীত রচনা করতেন ।

[  ] কমলাকান্তের ভনিতায় প্রায় তিন" শ পদ পাওয়া গেছে । তার আগমনী ও বিজয়ার গান গুলি অতি চমৎকার , রাম প্রসাদের চেয়েও কাবাংশে উৎকৃষ্ট । মেনোকা পাষাণ হৃদয় স্বামী গীরিরাজের কাছে অনুযোগ করেন , কেন তিনি কন্যা কে পিত্রালয়ে আনছেন না । অবশেষে গিরিরাজ উমাকে এনে দিলেন মেনোকার কাছে -
  " গিরি রানী , এই নাও তোমার উমারে ।
ধর ধর হরের জীবন ধন ।।"

[  ]মা মেনকা কন্যা উমাকে নিয়ে আদর যত্ন করেন । কিন্তু নবমীর নিশি অবসান হতে না হতেই হর এসে উমাকে নিয়ে যাবার জন্য প্রস্তুত হন । তখন মা মেনকা ব্যাকুল হয়ে বলে ওঠেন -

" ফিরে চাও গো উমা তোমার বিধুমুখ হেরি ।
অভাগানি মায়েরে বধিয়া কথা যাও গো ।"
[  ] বাঙালি মায়ের কন্যা বিরহের বাস্তব বেদনা গান গুলিতে একটা শতন্ত্র মানবিক মাধুর্য দান করেছে ।

[  ] কালিকার স্বরূপ এবং কবির নিজস্ব ধ্যান ধারণা সংক্রান্ত কয়েকটি গান " সদানন্দময়ী কালী মহাকালের মনো মোহিনী গো মা ", " শুকনো তরু মঞ্জুরে না ভয় লাগে মা ভাঙ্গে পাচ্ছে ", গো মা ', মজিল মন ভ্রমরা কালীপদ নীল কমলে " প্রভূতি গানের ভাষা ও বিন্যাস পদ্ধতি অতিশয় মার্জিত ও সঙ্গবোধ । কবি কিছু বৈষ্ণবপদও লিখেছেন । আবেগ , কল্পনা , ভক্তিভাব ও রচনারীতির এমন সুষ্ট সম্নদোয় রাম প্রসাদ কে ছেরে দিলে আর কোন শাক্ত পদ কারের রচনায় পাওয়া যাবে না । অষ্টাদশ শতাব্দীর নৈতিক অর্ধ পতনের দিনে গান গুলির ভাব , ভাষা ও ভক্তি শুভ আদর্শ বলা যেতে পারে । এক যুগের হতাশ বাঙালির প্রাণে নব আশার উদ্দীপনা সঞ্চারী ।

বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০

চর্যাপদ কোন শতাব্দীতে রচিত ? এর ভাষাকে " সন্ধ্যা ভাষা " বলা হয় কেন ?


পশ্চিম বঙ্গ বোড একাদশ শ্রেণী বাংলা পাঠ্য কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন বা কয়েক টি গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী বাংলা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা বড়ো রচোনাধর্মি প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী ফাইনাল পরীক্ষা বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , WB class xi Bangla suggestions, class eleven Bangla suggestions, class 11 bangla kobita suggestions, class 11 Bangla Kobita nildhojer proti jona suggestions

চর্যাপদ কোন শতাব্দীতে রচিত ? এর ভাষাকে " সন্ধ্যা ভাষা " বলা হয় কেন ? 

উত্তর :- চর্যাপদ দশম - দ্বাদশ শতাব্দীতে লেখা ।

[  ] বাংলা ভাষায় লেখা প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন চর্যাপদ । মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার থেকে পুঁথিটি  আবিষ্কার করেন । পুঁথি টি প্রাচীন বাংলা ও নেপালী অক্ষরে লিখিত । আর এর ভাষা ছিল রহস্যময় । চর্যাপদের ভাষাতত্ত্ব আলোচনা করে অনেক পণ্ডিত এর রচনাকাল দশম দ্বাদশ শতাব্দী বলেই মনে করেন । চর্যাপদের প্রথম পদ কর্তা লুইপাদ দশম শতাব্দীতে বর্তমান ছিলেন বলে দশম শতাব্দী থেকেই এই পদ সমূহ রচনা ও সংকলন কার্য চলতে থাকে । এর ভাষা দেখেও মনে হয় , খিষ্ট দশম শতাব্দীর দিকে বা তার সামান্য পূর্বে যখন মাগধী খোলস ছেড়ে বাংলা ভাষা সবেমাত্র ভূমিষ্ট হয়েছিল । তখন সেই অপরিনত ভাষায় সিদ্ধাচার্জ গণ পদ গুলি রচনা করেছিলেন । এ ভাষার মূল বুনিয়াদ মাগধী থেকে জাত প্রাচীনতম বাংলা ভাষার উপর প্রতিষ্ঠিত । পয়ার ও ত্রিপদি ছন্দেরও আদিম নিদর্শন ও এই চর্যাপদে দুর্লভ নয় । এই জন্য ভাষা ও ছন্দের দিক দিয়ে চর্যাপদ বাংলার নিকটতম যদিও এতে প্রত্যন্ত প্রদেশের শব্দ ও আছে ।
[   ] কিছুটা দুর্বোধ্য রহস্যময় ভাষায় এই পদগুলি রচিত হয়েছে । এই হেয়ালি ভাষার নাম " সন্ধ্যা ভাষা " যার অর্থ , যে ভাষা রহস্যময় এবং যা বুঝতে বিলম্ব হয় অথবা যার অর্থ সম্যক দ্বারা বুঝতে হয় , তা " সন্ধ্যা ভাষা "  বা " সন্ধাভাষা " । ' চর্যাচযবিনিচিয় ' - এ যুক্ত মুনি দত্তের সংস্কৃত টিকাটি না থাকলে চর্যাপদের তাৎপর্য চিরদিন দুর্বোধ্যই থাকতো । অন্য সম্প্রদায়ের প্রতিকূল ব্যাক্তি বা গোড়া ব্রামন সম্পদায় , যারা সহজিয়া বৌদ্ধদের প্রতি প্রসন্ন ছিলেন না তাদের শুন্য চক্ষু থেকে এই ধর্মাচরণ আড়াল করে রাখার জন্যই বৌদ্ধ তান্ত্রিক সিদ্ধাচার্যেরা এই রকম " সন্ধ্যা ভাষা " র ছদ্মবেশ ধারণ করেছিল ।


/>

মৈথিল কোকিল কাকে বলা হয় ? বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতির অবদান সম্পর্কে আলোচনা ।

পশ্চিম বঙ্গ বোড একাদশ শ্রেণী বাংলা পাঠ্য কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন বা কয়েক টি গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী বাংলা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , একাদশ শ্রেণী বাংলা কবিতা বড়ো রচোনাধর্মি প্রশ্ন , একাদশ শ্রেণী ফাইনাল পরীক্ষা বাংলা কবিতা নীলধ্বজের প্রতি জনা সাজেশন , WB class xi Bangla suggestions, class eleven Bangla suggestions, class 11 bangla kobita suggestions, class 11 Bangla Kobita nildhojer proti jona suggestions, মৈথিল কোকিল কাকে বলা হয় ? বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতির অবদান সম্পর্কে আলোচনা ।  মৈথিল কোকিল কাকে বলা হয় ? বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতির অবদান সম্পর্কে আলোচনা ।



মৈথিল কোকিল কাকে বলা হয় ? বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতির অবদান সম্পর্কে আলোচনা । 

উত্তর :-  বিদ্যাপতি কে মৈথিল কোকিল বলা হয় । 
[   ] বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যে প্রবাসী শিল্পী তবু তিনি তাঁর সাহিত্য কীর্তির নানামুখী আবেদন বাংলা সাহিত্যে রেখে গেছেন । বিদ্যাপতি বাংলা ভাষায় একচ্ছত্র লেখেননি , জন্মগত দিক থেকে তাঁর পরিচিতি মিথিলার সাথে সংশ্লিষ্ট । বিদ্যাপতি জন্মসূত্রে মৈথিলী এবং কর্মসূত্রের মিথিলার কবি তবুও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তাকে দিয়েছে এক গৌরবময় স্থান । 

[   ] মৈথিলীর কবি বিদ্যাপতি সম্ভবত ১৩৮০ - ১৪৬০ খিস্টাব্দে পযন্ত বিভিন্ন রাজাদের তত্ত্বাবধানে থেকে বহুবিধ শাস্ত্র চর্চার সঙ্গে সাহিত্য চর্চা করেছেন । তার পদ গুলিতে রাধাকৃষ্ণ প্রেম বর্ননা থাকলেও সে রাধাচিত লৌকিক প্রেমবিকাশের পথেই অগ্রসর হয়েছে । একটি বালিকা ধীরে ধীরে কিশোরী , নবযৌবনা হয়ে ওঠেছে কামজলায় অনভিজ্ঞা কৃষ্ণের কি করে পুনাঙ্গ নায়িকা হয়ে ওঠেছে । আবার প্রেমানুভুতি ধীরে ধীরে দেহমনকে আচ্ছন্ন করে নায়িকার অপূর্ব ভাবান্তর কীভাবে এনে দিয়েছে বিদ্যাপতি তার অপূর্ব স্তর বিন্যাস অঙ্কন করেছেন । 


[    ] মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতি রাধাকৃষ্ণের পূর্বরাগ - অনুরাগ - অভিসার - মাথুর - ভবল্লাস এবং প্রথনা বিষয়ক পদ রচনায় কৃতিত্ব দেখিয়েছেন  ।


রবিবার, ২৪ মে, ২০২০

নানা রঙ্গের দিন নাটক কয়েকটি গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন







প্রতি প্রশ্নের মান :–৫


১) রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র ?

২) কলিনাথ সেনের চরিত্র ?

৩) ধূ ধূ করা দুপুরের জ্বলন্ত মাঠে বাতাস যেমন একা যেমন সঙ্গীহীন - তেমনি ...- বক্তা কে ? কোন প্রসঙ্গে বক্তা একথা বলেছেন আলোচনা করো ?

৪)সে রাতে এই জীবনের প্রথম মোক্ষম বুঝলাম যে , যারা বলে নাট্যভিনয় একটি প্রবিত্র শিল্প - তারা সব গাঁধা ' - বক্তা কখন এবং কেন এরকম সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন নিজের ভাষায় আলোচনা করো ।

৫) আমার প্রতিভা এক্ষণ ও মরেনি - শরীরে যদি রক্ত থাকে, তাহলে সে রক্তে মিশে আছে প্রতিভা । মন্তব্যটির তাৎপর্য লেখ ।


৬) শিল্প কে যে মানুষ ভালোবেসেছে - তার ব্যাধক নেই -- মন্তব্যটির তাৎপর্য লেখো

৭) ওকি বললো জানো ? "" - ও বলতে এখানে কার কথা বলা হয়েছে ? কে কোন পরিস্থিতিতে কি কথা কাকে বলেছিল ?

৮)" নানা রঙ্গের দিন " নাটকটির সার্থকতা বিচার করো ।




/>

বাংলা কবিতা শিকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন


                                 শিকার


Bangla kobita shikar Suggestion
শিকার কবিতা 



প্রতি প্রশ্নের মান :–৫






১) একটি তারা এখনো আকাশে রয়েছে " - আকাশের তারা কে কেন্দ্র করে কবির ভাবনার যে মানুষ বিশিষ্টতা প্রকাশিত হয়েছে তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো ।

২) " হয়ে গেছে রোগা শালিকের হৃদয়ের বিবরণ ইচ্ছার মতো " - মন্তব্যেটির পেক্ষপট ' শিকার' কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো ।


৩) " আগুন জ্বললো আবার " - ' আবার 'শব্দটির প্রয়োগের তাৎপর্য কি ? এখানে এই ঘটনা কিসের ইঙ্গিত দেয় ?

৪) নাগরিক লালসায় নীল অমলিন প্রকৃতির মাঝে প্রবিত্র জীবন হারিয়ে যায় হীমশিল মৃত্যুর আঁধারে ; - " শিকার " কবিতা সূত্রে আলোচনা করো ।







মহুয়ার দেশ কয়েকটি গুরুত্ব পূর্ণ প্রশ্ন

                মহুয়ার দেশ



Higher Secondary Bangla kobita Mohuyar Desh Suggestion
মহুয়ার দেশ


১) " সেই উজ্জ্বল স্তব্ধ তায় / ধোয়ার বঙ্কিম নিঃশ্বাস ঘুরে ফিরে ঘরে আসে / শীতের দুঃস্বপ্নের মতো  "! - মন্তবটির তাৎপর্য আলোচনা করো ।


২) " ঘুমহীন তাদের চোখে হানা দেয় / কিসের কিলান্ত দুঃস্বপ্ন  !' - মন্তব্যটির পেক্ষপট আলোচনা করো ।

৩) " মহুয়ার দেশ " কবিতাটি অবলম্বন করে সমর সেনের কবি মানসের পরিচয় দাও ।

৪) গদ্য কবিতা হিসাবে " মহুয়ার দেশ " কবিতাটির সার্থকতা আলোচনা করো ।

৫) " আর আগুন লাগে জলের অন্ধকারে ধুসর ফেনায় / কিসের কথা বলা হয়েছে ? এর ফলে কি ঘটে ? এই অবস্থায় কবি কীসের প্রত্যাশা করেন ।