দর্শন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দর্শন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০

সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ উত্তর

দর্শন সাজেশন , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ সাজেশন, সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ উত্তর, সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,


প্রশ্ন :- সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ ?

উত্তর :– যে শব্দ বচনের উদ্দেশ্যে ও বিধেয়ের মধ্যে একটা সমন্ধ স্থাপন করে তাকে বলে সংযোজক । সংযোজক সদর্থক ও নর্থক দুই রকমেরই হতে পারে ।

[    ]  সংযোজকের স্বরূপ সম্পর্কে যুক্তি বিজ্ঞানের মধ্যে মতবেধ থাকলেও আমরা সংযোজকের স্বরূপ সম্পর্কে বলতে পারি –
১) সংযোজক কোনো পদ নয় উদ্দেশ্যে ও বিধেয় পদের সম্পর্ক প্রকাশক একটি শব্দ মাত্র ।

২) সংযোজক সব সময় ' হওয়া ' টা ক্রিয়া বর্তমান কালে রূপে হবে । ' বাংলায় হয় ' হন , হয় , হও , প্রভুতি শব্দ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।

৩) সংযোজক সদর্থক ও নর্থক দুই হতে পারে । কোনো বচনের বিধেয় পদটি যদি উদ্দেশ্যে পদ সম্পর্কে কিছু স্বীকার করে তবে সংযোজকটি সদর্থক হবে । আর বিধেয় পদটি যদি উদ্দেশ্যে সম্পর্কে কিছু অধিকার করে তবে সংযোজকটি নর্থক হবে ।


/>

বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০

দর্শন মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি উত্তর মান ৮ [ Higher secondary Philosophy Mill Questions Answer Marks 8 ]

দর্শন সাজেশন , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি সাজেশন, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি উত্তর, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,
মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি 

তর্কবিদ মিল কার্য কারন সম্পর্ক নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে যে পাঁচটি পরীক্ষামূলক পদ্ধতি পরিবর্তন করেন তাঁর মধ্যে অন্যতম হলো অন্বয়ী পদ্ধতি ।


[   ] মিলের এই পদ্ধতিটি অপসারনের যে নিয়মের উপর প্রতিষ্ঠিত সেটি হল " পূর্ববর্তী ঘটনার যে অংশকে বাদ দিলে কার্যের কোনো হানি হয়না , সেই অংশটি কখনো কারন বা কারনের অংশ হতে পারে না ।


[   ] মিল অন্বয়ী পদ্ধতির সূত্রটিতে এইভাবে ব্যাখা করেছেন - " আজব ঘটনা দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তে যদি একটি মাত্র সাধারন ঘটনা উপস্থিত থাকে এবং যদি এই সাধারন ঘটনাটির সমন্ধে দৃষ্টান্ত গুলির মধ্যে মিল থাকে , তাহলে সেই সাধারন ঘটনাটি হবে আলোচ্য ঘটনার কারন বা কার্য ।


বাস্তব উদাহরণ :– মনে করা যাক , আমরা ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন অনুসন্ধান করতে চাই , এজন্যে যে সব জায়গায় ম্যালেরিয়া জ্বর বেশি হচ্ছে , সেই সব জায়গায় গুলি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেল যে । সমস্ত ক্ষেত্রেই ম্যালেরিয়া জ্বরের অনুবর্তী ' এনফিলিক্স ' নামে এক জাতিও মশার দংশন এবং পূর্ববর্তী ঘটনা (যেমন  দরিদ্র , আবর্জনা , ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাসস্থান বেশ ভুষা প্রকৃতি ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকছে আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকছেনা এর থেকে অন্বয়ী পদ্ধতি প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত করা যেতে পারে পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে যে ' এনফিলিক্স  ' মশার দংশন হল ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন । 



সুবিধা :–১) অন্বয়ী পদ্ধতির প্রয়োগ ক্ষেত্র অন্যান্য পদ্ধতির প্রয়োগের ক্ষেত্রেও অপেক্ষা অনেক বেশি এবং ব্যাপক ।

২) অন্বয়ী পদ্ধতির সাহায্য আমরা কারন থেকে কার্য এবং কার্য থেকে কারন আবিষ্কার করতে পারি এই দিক থেকে এই পদ্ধতি অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় সুবিধাজনক ।


৩) অন্বয়ী পদ্ধতির সাহায্য আমরা কার্য বা কারনের সঙ্গে যুক্তি অপ্রয়োজনীয় অপসারন বা বর্জন করতে পারি ।


অসুবিধা :–১) মিলের বহুকারনবাদের সম্ভবনা কে এই পদ্ধতির প্রকৃতিগত অপূর্ণতা বলা হয় । কারন এই দোষটির অন্বয়ী পদ্ধতির প্রকৃতির মধ্যেই ।


২) অপর্যবেক্ষণ দোষ কে অন্বয়ী পদ্ধতি ব্যাবহারিক দোষ বা অপূর্ণতা বলা হয় । এই পদ্ধতি মূলত পর্যবেক্ষনের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় অনেক সময় আসল কারনটি আমাদের কাছে আত্মগোপন করে থাকতে পারে ।

৩) অন্বয়ী পদ্ধতির সহ অবস্থান থেকে কার্য কারন সমন্ধকে পৃথক করতে পারে না ।




সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

মিলের অন্বয় ব্যতিরেকি পদ্ধতি উত্তর

miler-onnoyi-betiraki-podhoti


মিলের অন্বয় ব্যতিরেকি পদ্ধতি উত্তর 


উত্তর:-  মিল অন্বয় ব্যতিরেকি পদ্ধতির সুত্রটিতে এই ভাবে ব্যাক্ত করেছেন , " আলোচ্য ঘটনা টি উপস্থিত আছে এরূপ দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তে যদি কেবলমাত্র একটি ঘটনা সব সময়ই উপস্থিত থাকে এবং আলোচ্য ঘটনা টি উপস্থিত থাকে । তাহলে যে ঘটনাটির জন্য এই দুই শ্রেণীর দৃষ্টান্তের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায় সেই ঘটনাটি হয় আলোচ্য ঘটনার কার্য বা কারন বা কারনের অপরিহার্য অংশ ।
[  ] মিল পদ ও সূত্রটিকে এই ভাবে ব্যাখা করা যায় । পর্যবেক্ষণের পাওয়া কতক গুলো দৃষ্টান্তে একটি ঘটনা উপস্থিত থাকলে যদি দেখা যায় যে , এই সব দৃষ্টান্তে অন্য একটি ঘটনাও উপস্থিত রয়েছে  এবং যদি পূর্বের ঘটনাটি অনুপস্থিত থাকে । আমরা অনুমান করতে পারি যে এই দুটি ঘটনার কার্য কারন সম্পর্ক আছে ।

[   ] এই পদ্ধতিকে অন্বয় ব্যতিরেকি বলা হয় । কারন এক্ষেত্রে সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য উভয় বর্তমান সদর্থক দৃষ্টান্তে গুচ্ছের দিক থেকে এই পদ্ধতি হল অন্বয় ব্যতিরেকি পদ্ধতি ।
সদর্থক ও নর্থক দুই রকমের উদাহরন আছে বলে এই পদ্ধতি কে অনেকটা  ব্যতিরেকি পদ্ধতি বলা যায় ।

সাংকেতিক উদাহরণ:-

     
              সদর্থক দৃষ্টান্ত                       
    
         নর্থক দৃষ্টান্ত  
                                                                   


পূর্ববর্তী ঘটনা                          

অনুবর্তী ঘটনা                     পূর্ববতী                           অনুবর্তী                           
ABC         
            
abc                    BCD                   bcd             
ACD

acd                DEF                    def            
ADE                                             ade          
                                           
                              
EFG                                 efg                                  



A হল a এর কারন |

এক্ষেত্রে সদর্থক দৃষ্টান্তে গুচ্ছে দেখা যায় যে, পূর্ববর্তী ঘটনার মধ্যে  A এবং অনুবর্তী ঘটনার মধ্যে  a সব সময় এক সঙ্গে উপস্থিত আছে । আবার নর্থক দৃষ্টান্ত গুচ্ছ দেখা যায় যে পূর্ববর্তী ঘটনার মধ্যে A এবং অনুবর্তী ঘটনা a সব সময় এক সঙ্গে অনুপস্থিত আছে , কাজেই সদর্থক দৃষ্টান্ত গুচ্ছ দুটি ঘটনার অনুপস্থিতর সাদৃশ্য দেখে অনুমান করা যায় যে ,A  হল a এর কারন । 

বাস্তব উদাহরণ :– 
                           ১)  যখনই সৌরভ ভারতীয় দলের হয়ে খেলে তখনই ভারত জয়লাভ করে । আবার সৌরভ যখনই ভারতীয় দলে অনুপস্থিত থাকে তখনই ভারত পরাজিত হয় । সুতরাং সৌরভের উপস্থিত হল ভারতীয় দলের সাফল্যের কারন ।
২) যেখানে যেখানে ম্যালেরিয়া সেখানে সেখানে মশার কামড় । আবার যেখানে যেখানে ম্যালেরিয়া নেই সেখানে সেখানে মশার কামড় নেই । অতএব মশার কামড়ই ম্যালেরিয়ার কারন ।

সুবিধা :–
         ১) এই পদ্ধতির প্রয়োগের ক্ষেত্র খুবই ব্যাপক । যেসব ক্ষেত্রে পরিমাণ সম্ভব নয় সেইসব ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির প্রয়োগ করা যায় না । 

২) এই পদ্ধতির সাহায্য আমরা কার্য থেকে কারনে এবং কারন থেকে কার্যে অগ্রসর হতে পারি ।
৩) এই পদ্ধতির সাহায্য যে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় তা বহুকারন সম্ভবনা থেকে অনেকাংশে মুক্ত । 

৪) এই পদ্ধতির সদর্থক ও নর্থক  দৃষ্টান্ত গুচ্ছের সাহায্য দুটি ঘটনার মধ্যে কার্য কারন সম্পর্ক স্থাপন করে । এই কারনে এই পদ্ধতিকে অন্বয় ব্যতিরেকি পদ্ধতির পরিবর্তিত উন্নত রূপে বলা হয় । 

অসুবিধা :–
           ১) এই পদ্ধতির পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভরশীল বলে পর্যবেক্ষণের দোষ ( অপর্যবেক্ষণ দোষ ) দেখা দেবার সম্ভবনা থাকে । 

২) এই পদ্ধতিকে কার্য কারন কে সহ অবস্থান থেকে পৃথক করতে পারে না । দুটি ঘটনা সব সময় এক সঙ্গে উপস্থিত থাকলেই তাদের মধ্যে কার্য কারন সম্পর্ক থাকবে এই কথা কখনই সুনিশ্চিত ভাবে বলা যাবে না ।
৩) এই পদ্ধতির নর্থক দৃষ্টান্ত গুচ্ছ কে সংগ্রহ করা খবুই কষ্ট সাধ্য ও শ্রম সাপেক্ষ । 

৪) পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভরশীল হওয়ার জন্য এই পদ্ধতি কেবলমাত্র কার্য কারন সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয় কিন্তু নিশ্চিত ভাবে প্রমাণ করতে পারে না ।  ।






/>

শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯

মীলের পদ্ধতি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

philosophy-miler-podhoti-mcq-question-answer

দর্শন "  মীলের পদ্ধতি " কিছু  গুরুত্বপূর্ণ অতি  সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো । আশা করি এই প্রশ্ন ও উত্তর গুলি তোমাদের অবশ্যই সাহায্য করবে ।


প্রতিটি প্রশ্নের মান :- ১


১) পরীক্ষা মূলক পদ্ধতি কাকে বলে ?

উত্তর :– পরীক্ষা মূলক পদ্ধতি হলো সেইসব পদ্ধতি যা  পযবেক্ষণ ও পরীক্ষণের ভীতিতে আলোচ্যর ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বিষয় গুলিকে বর্জন করে এবং ঘটনার মধ্যে কার্য করন সমন্ধ স্থাপন করে ।

২) পরীক্ষা মূলক উপাদান গুলি কীসের উপর নির্ভর করে ?

উত্তর :– পরীক্ষা মূলক উপাদান গুলি নিভর করে উপসারন পদ্ধতির উপর ।

৩) উপসরনের কটি নিয়ম আমরা পাই ?

উত্তর :– উপসরনে আমরা ৩ টি নিয়ম পাই ।

৪) উপসরনের প্রথম নিয়মটি লেখো ?

উত্তর :– উপসরনের প্রথম নিয়মটি হলো পূর্ববতী ঘটনার যে অংশকে বাদ দিলে কার্যের কোনো হানি হয়ন , সে অংশটি কখনো কারন বা কারনের অংশ হতে পারে না ।

৫) উপসরনের প্রথম নিয়মটির উপর মিলের কোন পদ্ধতি টি প্রতিষ্ঠিত হয় ?

উত্তর :– অন্বয়ী পদ্ধতি

৬) উপসরনের দ্বিতীয় নিয়মটি লেখো ?

উত্তর :– উপসরনের দ্বিতীয় নিয়মটি হলো – যে পূর্ববতী ঘটনাকে বাদ দিলে যে কার্যটি  পরে যায় সেই পূর্ববতি ঘটনা সেই কার্যের কারন বা কারনের অংশ হবে ।

৭) উপসরনের দ্বিতীয় নিয়মটির উপর মিলের কোন পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয় ?

উত্তর :– ব্যতিরেকি পদ্ধতি ।

৮) উপসরনের তৃতীয় নিয়মটি লেখো ?

উত্তর :– উপসরনের তৃতীয় নিয়মটি হলো – যদি কোনো এক বিশেষ অনুপাতে পূর্ববতী ঘটনা এবং পরবর্তীর ঘটনা হাস্র বৃদ্ধি ঘটাতে দেখা যায় , তাহলে ঘটনা দুটি কার্য কারন সম্পর্কে আবদ্ধ হবে ।


৯) উপসরনের তৃতীয় নিয়মটির উপর কোন পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয় ?

উত্তর :– সহ পরিবর্তন পদ্ধতি ।

১০) মিলের কয়টি পদ্ধতি ও কি কি ?

উত্তর :– ৫ টি

১) অন্বয়ী পদ্ধতি

২) ব্যতিরেকি পদ্ধতি

 ৩) অন্বয়ী – ব্যতিরেকি পদ্ধতি

 ৪) সহ পরিবর্তন পদ্ধতি

৫) পরিশেষ পদ্ধতি

১০) অন্বয়ী পদ্ধতিকে পযবেক্ষণ মূলক পদ্ধতি বলা হয় কেনো ?

উত্তর :– অন্বয়ী পদ্ধতি পযবেক্ষনের সাহায্যে দৃষ্ঠাঙ্গ সংগ্রহ করা হয় এবং সেই দৃষ্ঠাঙ্গ ভঙ্গিতে টানা হয় তাই অন্বয়ী পদ্ধতি কে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলা হয় ।

১১) ব্যতিরেকি পদ্ধতির উপসারনের ফলে কি দোষ হয় ?

উত্তর :– কাকতালীয় দোষ ।

১২) সহ পরিবর্তন পদ্ধতি কয় প্রকার হতে পারে ?

উত্তর :– ২ প্রকার
                        ক) প্রত্যক্ষ পরিবর্তন ।
                        খ) বিপরীত পরিবর্তন ।

যুক্তি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

hs-philosophy-jukti-mcq-question-answer

দর্শন "  যুক্তি  " কিছু  গুরুত্বপূর্ণ অতি  সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো । আশা করি এই প্রশ্ন ও উত্তর গুলি তোমাদের অবশ্যই সাহায্য করবে ।


১) যুক্তি কাকে বলে ?

উত্তর :– যুক্তি হলো এমন বচন সমষ্টি যেখানে একটি বচনের সত্যতা একক বা একাধিক সত্যতার উপর নির্ভর করে বলে দাবি করা হয় ।

উদাহরন – ক) সকল মানুষ হয় মরণশীল জীব
                  :- সকল শিক্ষক হয় মরণশীল জীব

২) যুক্তি বিজ্ঞান কাকে বলে ?

উত্তর :– যে শাস্ত্রে অশুদ্ধ যুক্তি থেকে বৈধ বা শুদ্ধ যুক্তিকে পৃথক করায় নিয়ম পদ্ধতি আলোচনা করে তাকে যুক্তি বিজ্ঞান বলে ।

৩) যুক্তির অবয় কাকে বলে ?

উত্তর :– যে সমস্ত বচন দিয়ে যুক্তি গঠিত হয় তাদের যুক্তির অবয় বলে ।

৪ ) যুক্তির অবয়  কয় প্রকার ও কি কি ?

উত্তর :– যুক্তির অবয় ২ প্রকার ।
                                                ক) আশ্রয়বাক্য ।
                                                খ) সিদ্ধান্ত ।

৫) সিদ্ধান্ত কাকে বলে ?

উত্তর :– যুক্তিতে যে বচনের সত্যতা দাবি করা হয় তাকে সিদ্ধান্ত বলে ।

৬) যুক্তি কয় প্রকার ও কি কি ?

উত্তর :– ২ প্রকার ।
                             ক) অবরোহ  যুক্তি ।
                             খ) আরোহ যুক্তি ।

৬) অবরোহ যুক্তির দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো ?

উত্তর :– ক) অবরোহযুক্তির সিদ্ধান্তটি হেতুবাক্য থেকে অনিবার্য ভাবে নি : সত হয় ।

 খ) অবরোহযুক্তির সিদ্ধান্তটি কখনই হেতুবাক্য থেকে ব্যাপকত হয় না , সমব্যাপক বা কমব্যাপক হয় ।


৭) আরোহ যুক্তির দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো ?

উত্তর :– ক) আরোহযুক্তির সিদ্ধান্তটি হেতুবাক্য থেকে অনিবার্য ভাবে নি : সত হয় না ।

খ) আরোহযুক্তির সিদ্ধান্তটি হেতুবাক্য অতিক্রম করে যায় ।

৮) আরোহযুক্তিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ?

উত্তর :– ২ ভাগে ভাগ করা যায় ।
                                                ক) নিরপেক্ষ ।
                                                খ) সাপেক্ষ ।

৯) নিরপেক্ষ যুক্তি কয় প্রকার ও কি কি ?

উত্তর :– ২ প্রকার ।


                            ক) মাধ্যম অবরোহ যুক্তি ।
                            খ) অমাধ্যম অবরোহ যুক্তি ।




/>