দর্শন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দর্শন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০

ব্যতিরেকী পদ্ধতি উত্তর

দর্শন সাজেশন , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, মিলের ব্যতিরেকী পদ্ধতি সাজেশন, মিলের ব্যতিরেকী পদ্ধতি উত্তর, মিলের ব্যতিরেকী পদ্ধতি কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,



১) ব্যতিরেকী পদ্ধতি উত্তর 

ভূমিকা :– মিল ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে নিম্নরূপ ব্যাখা করেছেন । " যদি আলোচ্য ঘটনাটি একটি মাত্র দৃষ্টান্তের উপস্থিত থাকে ও অপর একটি দৃষ্টান্তের অনুউপস্থিত থাকে এবং এই রূপ দুটি দৃষ্টান্তের যদি একটি মাত্র ঘটনা ছাড়া আর সব বিষয়েই সম্পূর্ণ সাদৃশ্য থাকে ; আর যে ঘটনাটিতে সাদৃশ্য নেই সেটি যদি শুধুমাত্র প্রথম দৃষ্টান্তেই উপস্থিত থাকে ; তাহলে যে ঘটনাটির জন্য দুটি দৃষ্টান্তের মধ্যে পার্থক্য ঘটেছে সেটিই হবে উপস্থিত আলোচ্য ঘটনার কার্য বা কারন বা কারনের অনিবার্য অংশ " ।

[   ] এই পদ্ধতিটি পূর্বের আলোচিত দ্বিতীয় সূত্র টির উপর প্রতিষ্ঠিত । অপসারনের এই সূত্র টি হলো : যদি A ঘটা সত্বেও X  না ঘটে , তবে  A  কে  X – এর কারন বলা যাবে না এবং X – কে A – এর কার্য বলে গ্রহণ করা যাবে না ।


[   ] ব্যতিরেকী পদ্ধতি প্রয়োগ করার জন্যে মাত্র দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন , একটি সদর্থক এবং অপরটি নর্থক ।

[   ] এই রূপ দুটি দৃষ্টান্তের পরীক্ষণের সাহায্য সংগ্রহ করা হয় । প্রথম দৃষ্টান্তে অগ্রবর্তী ঘটনা হিসেবে একটি বিশেষ ঘটনা উপস্থিত এবং অনুবর্তী ঘটনা হিসেবে আলোচ্য ঘটনাটি উপস্থিত । দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে বিশেষ ঘটনাটি অনুউপস্থিত , আলোচ্য ঘটনাটিও অনুউপস্থিত । প্রথম দৃষ্টান্তের অন্যান্য আনুষঙ্গিক ঘটনার সব গুলিই অ পরিবর্তী ভাবে দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে উপস্থিত আছে । অন্যান্য দিক থেকে দৃষ্টান্ত দুটি এক রকম এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য,  সেই ঘটনাটি হল আলোচ্য ঘটনার কারন । দুটি দৃষ্টান্তের  ব্যতিরেকী বা পার্থক্যর উপর এই পদ্ধতির ভিত্তি ; সেই কারনে এই পদ্ধতিটিকে ব্যতিরেকী পদ্ধতি বলা হয় ।

• সাংকেতিক উদাহরণ :–

                 

  অগ্রবর্তী ঘটনা                 অনুবর্তী ঘটনা

         ABC                                   abc                                                                                                   
          BC.                                     bc
                                                                                               
সুতরাং A  হলো  a এর কারন ।
উল্লেখিত  দৃষ্টান্ত টি পরীক্ষা করলে যাবে যে , আলোচ্য ঘটনা " a " প্রথম দৃষ্টান্তে উপস্থিত , বিশেষ ঘটনা হিসেবে " A " প্রথম দৃষ্টান্তে উপস্থিত ।




[  ] দ্বিতীয় দৃষ্টান্তের আলোচ্য ঘটনা "a " অনু উপস্থিত , বিশেষ ঘটনা হিসেবে "A " ও অনু উপস্থিত দুটি দৃষ্টান্তের মধ্যে যেটুকু  পার্থক্য তাহলো " A " এবং " a "  কে নিয়ে । উভয়ই এক সঙ্গে উপস্থিত এবং অনু উপস্থিত । অন্যান্য আনুষঙ্গিক ঘটনা উভয় দৃষ্টান্তের এক । অনুমান করা হলো  "A " হলো " a " এর কারন ।  BC অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা , কারন দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে পূর্ববর্তী ঘটনা রূপে  BC থাকলেও অনুবর্তী রূপে "a " নেই ।





বাস্তব উদাহরণ :– ১) মস্তিষ্কের কোনো অংশে অস্ত্রোপচার করা হয়নি , শরীরের কোনো বিশেষ অংশ অবশ হয়ে পড়েনি । মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশে অস্ত্রোপচার করা হলো , শরীরের একটা বিশেষ অংশ অবশ হয়ে পড়ল । সুতরাং , মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশে অস্ত্রোপচার শরীরের আংশিক অবশতার কারন ।

২) অক্সিজেনপূর্ণ একটি পাত্রে একটি বাতি জ্বালানো । বাতিটি জ্বলতে লাগল । পাত্রটি অক্সিজেন শূন্য করে বাতিটি জ্বালানো হলো ; কিন্তু বাতি। নিভে গেল । সুতরাং অক্সিজেনের উপস্থিতি বাতি জ্বলার কারন ।





এই পদ্ধতির সুবিধা :– ১) ব্যতিরেকী পদ্ধতি প্রমাণের পদ্ধতি হওয়াতে সুনিশ্চিত ভাবে কার্য কারন সম্পর্ক প্রমাণ করতে পারে ।

২) শুধুমাত্র দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয় বলে , এই পদ্ধতি খুবই সরল ।

এই পদ্ধতির অসুবিধা :– ১) এই পদ্ধতি সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ না করলে " কাকতালীয় " দোষ ঘটতে পারে ।

২) এই পদ্ধতির সাহায্য কারন থেকে শর্ত কে পৃথক করা সম্ভব নয় । এই পদ্ধতির সাহায্য প্রমাণ করা হলো যে , অগ্রবর্তী ঘটনাটি অনুবর্তী ঘটনার কারন ।




/>

বিবর্তন কাকে বলে বিবর্তনের নিয়ম গুলি লেখো উদহারন সহ ?

আজ আমি আলোচনা করবো দর্শনের বিবর্তন কাকে বলে এবং বিবর্তনের নিয়ম গুলি উদহারন সহ দেখাবো তো চলো শুরু করা যাক । দর্শন সাজেশন , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, বিবর্তন কাকে বলে বিবর্তনের নিয়ম গুলি লেখো উদহারন সহ সাজেশন, বিবর্তন কাকে বলে বিবর্তনের নিয়ম গুলি লেখো উদহারন সহ, বিবর্তন কাকে বলে বিবর্তনের নিয়ম গুলি লেখো উদহারন সহ কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,


১) বিবর্তন কাকে বলে বিবর্তনের নিয়ম গুলি লেখো উদহারন সহ ?


উত্তর :– যে অমাধ্যম অনুমানে যুক্তি বাক্যের উদ্দেশ্যটি সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্যে রূপে সৃহত হয় এবং যুক্তি বাক্যের বি বিধেয়টি সিদ্ধান্তের বিধেয়ের বিরুদ্ধ হিসাবে গৃহিত হয় এই ভাবে যুক্তি বাক্যে এবং সিদ্ধান্তের অর্থ এক রাখা হয় এই অনুমান প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিবর্তন ।

বিবর্তনের নিয়মাবলী :– ক) যুক্তি বাক্যের উদ্দেশ্যে সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হবে , অথাৎ যুক্তি বাক্যে এবং সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য এক হবে ।

খ) যুক্তি বাক্যের বিধেয় সিদ্ধান্তের বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদ হবে ।

গ) যুক্তি বাক্য এবং সিদ্ধান্তের গুণের পরিবর্তন হবে অথাৎ যুক্তি বাক্য যদি সদর্থক হয় সিদ্ধান্ত নর্থক হবে , আর যুক্তি বাক্য যদি নর্থক হয় তাহলে সিদ্ধান্ত সদর্থক হবে ।

ঘ) যুক্তি বাক্য এবং সিদ্ধান্তের পরিমাণ এক হবে যুক্তি বাক্য সামান্য বচন হলে সিদ্ধান্ত সামান্য বচন হবে  আর যুক্তি বাক্য বিশেষ বচন হলে সিদ্ধান্ত বিশেষ বচন হবে ।


              " A " বচনের বিবর্তন

" A " সকল সদস্য হয় সভায় উপস্থিতকারি,বিবর্তনীয়


:· " E "  কোনো সদস্য নয় সভায় অপস্থিত  , বিবর্তিত

                 " E " বচনের বিবর্তন

" E " কোনো ব্যাক্তি নয় কাজটি করতে সক্ষম ,বিবর্তনীয়

:· " A "  সকল ব্যাক্তি হয় কাজটি করতে অ – সক্ষম ,( বিবর্তিত )


              " I " বচনের বিবর্তন


" I "  কোনো কোনো ছাত্র হয় বুদ্ধিমান , ( বিবর্তনীয় )

:· " O "  কোনো কোনো ছাত্র নয় অ – বুদ্ধিমান  ,( বিবর্তিত )


              " O "  বচনের বিবর্তন :–

" O "  কোনো কোনো লোক নয় ধনী , ( বিবর্তনীয় )

:· কোনো কোনো লোক হয় অ – ধনী ,( বিবর্তিত )


1)" A " বচনকে বিবর্তন করে আমরা " E "  বচন পাই .

2)  " E " বচনকে বিবর্তন করে আমরা " A " বচন পাই .

3) " I " বচনকে বিবর্তন করে আমরা " O " বচন পাই .

4) " O "  বচনকে বিবর্তন করে আমরা " I " বচন পাই .


আবর্তন কাকে বলে ? আবর্তনের নিয়ম গুলি উদাহরনসহ আলোচনা করো ?

আজ আমি আলোচনা করবো দর্শনের আবর্তন কাকে বলে এবং আবর্তনের নিয়ম গুলি উদহারন সহ দেখাবো তো চলো শুরু করা যাক ।         বলে   আবর্তনের   নিয়ম গুলি উদাহরনসহ আলোচনা করো সাজেশন, আবর্তন  কাকে বলে  ? আবর্তনের   নিয়ম গুলি উদাহরনসহ আলোচনা করো, আবর্তন  কাকে বলে  ? আবর্তনের   নিয়ম গুলি উদাহরনসহ আলোচনা করো কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,



১) আবর্তন  কাকে বলে  ? আবর্তনের   নিয়ম গুলি উদাহরনসহ আলোচনা করো ?

উত্তর :– যে অমাধ্যম অনুমানে একটি বচনের উদ্দেশ্যে ও বিধেয় কে ন্যায় সংগত ভাবে যথাক্রমে অন্য একটি বচনের বিধেয় ও উদ্দেশ্য পরিণত করা হয় , তাকে আবর্তন বলে ।
আবর্তনের ক্ষেত্রে হেতুবাক্য ( আশ্রয় বাক্য ) টিকে বলা হয় আবর্তনীয় এবং সিদ্ধান্ত টিকে বলে আবতিত


আবর্তনের নিয়মাবলী :–
ক) আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্যেপদ সিদ্ধান্তের বিধেয় হবে ।

খ) আশ্রয়বাক্যের বিধেয় পদ সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্যেপদ হবে ।


গ) আশ্রয়বাক্যে ও সিদ্ধান্তের গুন অভিন্ন হবে ।

ঘ) যদি কোনো পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ হয় তবে তাকে আশ্রয়বাক্যে ব্যাপ হতেই হবে ।



            ( A ) বচনের আবর্তন

 " A " সকল শিক্ষক হয় মানুষ    ( আবর্তনীয় )

 " I "  কোনো কোনো মানুষ হয় শিক্ষক ( আবর্তিত )

:–  " A " বচনকে আবর্তন করে আমরা " I "  বচন পাই ।

            ( E ) বচনের আবর্তন

  "E" কোনো মানুষ নয় অমর । ( আবর্তনীয় )

E" কোনো অমর নয় মানুষ । ( আবর্তিত )

:- "E" বচনকে আবর্তন করে আমরা "E" বচন পাই ।

               ( I ) বচনের আবর্তন

 " I " কোনো মানুষ হয় শিক্ষক ।  ( আবর্তনীয় )

" I " কোনো কোনো শিক্ষক হয় মানুষ । ( আবর্তিত )

:– " I " বচনকে আবর্তন করে আমরা  " I " বচন পাই ।

             ( O )বচনের আবর্তন

" O"  কোনো মানুষ নয় শিক্ষক । ( আবর্তনীয় )

" O" কোনো কোনো শিক্ষক নয় মানুষ ।  ( আবর্তিত )

:– O বচনকে আবর্তন করা যায় না ,

                                 



1)" A " বচনকে আবর্তন করে আমরা " I "  বচন পাই

2) "E" বচনকে আবর্তন করে আমরা "E" বচন পাই


3) " I " বচনকে আবর্তন করে আমরা  " I " বচন পাই

4) O বচনকে আবর্তন করা যায় না ,




/>

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০

সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ উত্তর

দর্শন সাজেশন , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ সাজেশন, সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ উত্তর, সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,


প্রশ্ন :- সংযোজকের স্বরূপ ও কাজ ?

উত্তর :– যে শব্দ বচনের উদ্দেশ্যে ও বিধেয়ের মধ্যে একটা সমন্ধ স্থাপন করে তাকে বলে সংযোজক । সংযোজক সদর্থক ও নর্থক দুই রকমেরই হতে পারে ।

[    ]  সংযোজকের স্বরূপ সম্পর্কে যুক্তি বিজ্ঞানের মধ্যে মতবেধ থাকলেও আমরা সংযোজকের স্বরূপ সম্পর্কে বলতে পারি –
১) সংযোজক কোনো পদ নয় উদ্দেশ্যে ও বিধেয় পদের সম্পর্ক প্রকাশক একটি শব্দ মাত্র ।

২) সংযোজক সব সময় ' হওয়া ' টা ক্রিয়া বর্তমান কালে রূপে হবে । ' বাংলায় হয় ' হন , হয় , হও , প্রভুতি শব্দ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।

৩) সংযোজক সদর্থক ও নর্থক দুই হতে পারে । কোনো বচনের বিধেয় পদটি যদি উদ্দেশ্যে পদ সম্পর্কে কিছু স্বীকার করে তবে সংযোজকটি সদর্থক হবে । আর বিধেয় পদটি যদি উদ্দেশ্যে সম্পর্কে কিছু অধিকার করে তবে সংযোজকটি নর্থক হবে ।


বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০

দর্শন মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি উত্তর মান ৮ [ Higher secondary Philosophy Mill Questions Answer Marks 8 ]

দর্শন সাজেশন , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি সাজেশন, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি উত্তর, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি কাকে বলে , উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন,
মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি 

তর্কবিদ মিল কার্য কারন সম্পর্ক নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে যে পাঁচটি পরীক্ষামূলক পদ্ধতি পরিবর্তন করেন তাঁর মধ্যে অন্যতম হলো অন্বয়ী পদ্ধতি ।


[   ] মিলের এই পদ্ধতিটি অপসারনের যে নিয়মের উপর প্রতিষ্ঠিত সেটি হল " পূর্ববর্তী ঘটনার যে অংশকে বাদ দিলে কার্যের কোনো হানি হয়না , সেই অংশটি কখনো কারন বা কারনের অংশ হতে পারে না ।


[   ] মিল অন্বয়ী পদ্ধতির সূত্রটিতে এইভাবে ব্যাখা করেছেন - " আজব ঘটনা দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তে যদি একটি মাত্র সাধারন ঘটনা উপস্থিত থাকে এবং যদি এই সাধারন ঘটনাটির সমন্ধে দৃষ্টান্ত গুলির মধ্যে মিল থাকে , তাহলে সেই সাধারন ঘটনাটি হবে আলোচ্য ঘটনার কারন বা কার্য ।


বাস্তব উদাহরণ :– মনে করা যাক , আমরা ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন অনুসন্ধান করতে চাই , এজন্যে যে সব জায়গায় ম্যালেরিয়া জ্বর বেশি হচ্ছে , সেই সব জায়গায় গুলি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেল যে । সমস্ত ক্ষেত্রেই ম্যালেরিয়া জ্বরের অনুবর্তী ' এনফিলিক্স ' নামে এক জাতিও মশার দংশন এবং পূর্ববর্তী ঘটনা (যেমন  দরিদ্র , আবর্জনা , ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাসস্থান বেশ ভুষা প্রকৃতি ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকছে আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকছেনা এর থেকে অন্বয়ী পদ্ধতি প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত করা যেতে পারে পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে যে ' এনফিলিক্স  ' মশার দংশন হল ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন । 



সুবিধা :–১) অন্বয়ী পদ্ধতির প্রয়োগ ক্ষেত্র অন্যান্য পদ্ধতির প্রয়োগের ক্ষেত্রেও অপেক্ষা অনেক বেশি এবং ব্যাপক ।

২) অন্বয়ী পদ্ধতির সাহায্য আমরা কারন থেকে কার্য এবং কার্য থেকে কারন আবিষ্কার করতে পারি এই দিক থেকে এই পদ্ধতি অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় সুবিধাজনক ।


৩) অন্বয়ী পদ্ধতির সাহায্য আমরা কার্য বা কারনের সঙ্গে যুক্তি অপ্রয়োজনীয় অপসারন বা বর্জন করতে পারি ।


অসুবিধা :–১) মিলের বহুকারনবাদের সম্ভবনা কে এই পদ্ধতির প্রকৃতিগত অপূর্ণতা বলা হয় । কারন এই দোষটির অন্বয়ী পদ্ধতির প্রকৃতির মধ্যেই ।


২) অপর্যবেক্ষণ দোষ কে অন্বয়ী পদ্ধতি ব্যাবহারিক দোষ বা অপূর্ণতা বলা হয় । এই পদ্ধতি মূলত পর্যবেক্ষনের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় অনেক সময় আসল কারনটি আমাদের কাছে আত্মগোপন করে থাকতে পারে ।

৩) অন্বয়ী পদ্ধতির সহ অবস্থান থেকে কার্য কারন সমন্ধকে পৃথক করতে পারে না ।




/>